

প্রধান অতিথি ড. দেবাশীষ মৃধা বনভোজনের আয়োজকদের উদ্দেশ্যে বলেন, কমিউনিটির চারপাশের সবাইকে আপনারা ভালবাসেন। আর এজন্যই তাদেরকে আনন্দ দেওয়ার জন্য এত কষ্ট ও কাজ করে এই বনভোজনের আয়োজন করেছেন। আপনাদের বড় শক্তি হলো ভালোবাসা। ভালোবাসা দিয়েই আমরা পুথিবীকে জয় করতে পারি। অন্য কোন শক্তি নেই কিন্তু।
তিনি বলেন, আমরা জীবনে অনেক কম্পিটিশন করি। কিন্তু তা একান্তই নিজেদের বিরুদ্ধে। আমরা যদি নিজেদের জয় করতে পারি, তাহলে পৃথিবী জয় করতে পারব। আপনারা জানেন আমরা যখন স্কুলে পড়তাম, তখন আমরা ভাবতাম ক্লাশে যে প্রথম বা দ্বিতীয় হচ্ছে তার সঙ্গে আমরা কম্পিটিশন করছি। আমরা কিন্তু তার সঙ্গে কম্পিটিশন করিনি। আমরা তা নিজেদের সঙ্গে করেছি। আমরা নিজেদেরকে ভাল ও উন্নত করতে পেরেছি বলেই প্রথম স্থান অর্জন করতে পেরেছি। তাই তিনি সকলকে নিজেদের সঙ্গে সংগ্রামের তাগিদ দেন। তিনি বলেন, এই দেশে আমাদেরকে উন্নত হতে হলে সমাজ ও কমিউনিটিকে উন্নত করতে হবে। সেটাই হবে আমাদের যুদ্ধ। আপনারা সবাই এই প্রত্যয়ে এগিয়ে যান, সঙ্গে আমি আছি, থাকব।

অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুতালিব মিয়ার সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মৃদুল কান্তির সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন। সাংবাদিক, সমাজসেবক, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাদের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছিল বনভোজনটি। আনন্দঘন এ আয়োজনে মিশিগানে বসবাসকারী সুনামগঞ্জের মানুষেরা মায়ার টানে অনুষ্ঠানে মিলিত হন। মধ্যাহ্নভোজে ছিল দেশীয় স্বাদে রকমারি খাবার। সবশেষে খেলাধুলায় অংশগ্রহণকারি এবং র্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে বনভোজন কার্যক্রম শেষ হয়।
